• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন |

চীনের সামরিক মহড়ায় ঘেরা তাইওয়ান

সোমবার চীন তাইওয়ানকে ঘিরে যুদ্ধবিমান আর জাহাজ নিয়ে মাঠে নেমেছে। বেইজিং বলেছে, এই সামরিক অনুশীলনের লক্ষ্য তাইওয়ানের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ শক্তিকে জোরালো সতর্কতা দেওয়া। চীন আরও বলেছে, এই অনুশীলন তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব আর জাতীয় ঐক্য রক্ষার জন্য জরুরী এবং সঠিক কাজ।

স্বশাসিত তাইওয়ানকে চীনের দখলে নেয়ার জন্য জোর করে কাজ করার কথা চীন অস্বীকার করেনি। গত দু’বছরে চীন চতুর্থবারের মতো তাইওয়ানকে ঘিরে এত ব্যাপক সামরিক অনুশীলন করছে।

গত বৃহস্পতিবার তাইওয়ানের জাতীয় দিবসে প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে একটা বক্তব্য দেন। সেটা বেইজিংকে রাগিয়েছে। সেদিনের কিছু দিনের মধ্যেই চীন তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক অনুশীলন শুরু করে।

লাই চিং-তে তার বক্তব্যে তাইওয়ান দখলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার শপথ নিয়েছিলেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, বেইজিং আর তাইপে কেউ কারও অধীন নয়।

এরপরই চীন সাবধান করে দেয়। বেইজিং বলে, লাই চিং-তের এই ‘দাঙ্গা’ তাইওয়ানের মানুষের জন্য ‘বিপর্যয়’ ডেকে আনবে।

চীনের সতর্কতার পরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বেইজিংকে সতর্ক করে দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘সতর্কতা’ উপেক্ষা করে চীন তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক অনুশীলন শুরু করেছে।

এই বছরের মে মাসে লাই চিং-তে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট হন। চীন সম্পর্কে তিনি তার পূর্বসূরী সাই ইং-ওয়েনের চেয়ে বেশি সরাসরি কথা বলেছেন। বিশেষ করে তাইওয়ানের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে।

লাই চিং-তের এই অবস্থানে চীন খুবই ক্ষুব্ধ। বেইজিং তাকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে অভিযোগ করছে।

চীনের এই সর্বশেষ সামরিক অনুশীলনের নিন্দা করেছে তাইওয়ান। তারা এই অনুশীলনকে ‘অযৌক্তিক’ এবং ‘দাঙ্গার’ বলেছে।

তাইপে জানিয়েছে, অনুশীলনের জবাব দিতে তারা আগে থেকেই ‘যথাযথ বাহিনী’ পাঠিয়েছে।

তাইওয়ানের উত্তরে হাসিনচু বিমানবন্দরের কাছে অবস্থান করা এএফপির একজন সাংবাদিক জানিয়েছেন যে, তিনি সেখান থেকে চারটি যুদ্ধবিমান উড়ে যেতে দেখেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *