ইউনিয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবিএম মোকাম্মেল হক চৌধুরী ও তার স্ত্রী নাজনীন আক্তারের ব্যাংক হিসাবগুলো স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক হিসাবও স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই স্থগিতাদেশ ৩০ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে।
দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে হিসাব স্থগিতের নির্দেশনা পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
ইউনিয়ন ব্যাংকের অনেক গ্রাহক হিসাব থেকে টাকা তুলতে না পারলেও মোকাম্মেল হক তার বেতনের পুরো টাকা তুলে নিয়েছেন।
গ্রাহকদের টাকা না পেলেও নিজেদের সব টাকা তুলে নিয়েছেন দুই ব্যাংকের এমডি
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউনিয়ন ব্যাংকের এমডি এবিএম মোকাম্মেল হক চৌধুরী ২ ও ৩ অক্টোবর ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা তুলেছেন। এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর তিনি ২ লাখ টাকা এবং ৫ সেপ্টেম্বর ৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। ২৫ সেপ্টেম্বর তার হিসাবে ৫০ লাখ টাকা জমা হয়। একইদিন মাসের বেতনের ১০ লাখ ৮ হাজার ২৪২ টাকা জমা হয়। ২৬ সেপ্টেম্বর ওই হিসাবে জমা হয় ৪২ লাখ টাকা। এরপর তিনি ২৯ সেপ্টেম্বর ৫০ হাজার টাকা, ২ অক্টোবর ৫০ লাখ টাকা এবং ৩ অক্টোবর ৫০ লাখ ও ৫৩ লাখ টাকা তোলেন।
ইউনিয়ন ব্যাংক এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
বিএফআইইউ’র নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, উল্লেখিত ব্যক্তি এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত সব হিসাবের কেওয়াইসি, হিসাব খোলার ফরম, শুরু থেকে হালনাগাদ হিসাব বিবরণী এবং পাঁচ লাখ টাকা ও তার ওপর যেকোনো অঙ্কের টাকার লেনদেন ভাউচারসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় তথ্য আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে পাঠাতে হবে।