• রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন |

ওয়াই-ফাই সংকেত: স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি কি?

**ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সিগন্যাল কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক?**

অনেক মানুষেরই মনে হয় ওয়াই-ফাই সিগন্যাল স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। এ নিয়ে অনেকে দুশ্চিন্তাও করেন। কিন্তু সত্যি কী তাই? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রায়ই রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে কম্পিউটার ও মোবাইল ডিভাইসগুলো তারহীনভাবে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করা হয়। এই সিগন্যালগুলোতে ২ থেকে ৫ গিগাহার্জের মধ্যে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক শক্তি থাকে। এটি মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ব্যবহৃত তরঙ্গের পরিমাণের সমান। তবে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলোতে ‘নন-আয়নাইজিং’ বিকিরণ থাকে যা মানুষের কোষ বা ডিএনএকে ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য যথেষ্ট শক্তি বহন করে না। তাই ওয়াই-ফাই সিগন্যালগুলো সাধারণত মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয় না।

ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সম্পর্কে জানতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যানসার (আইএআরসি) প্রায় আড়াই লক্ষ মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর তথ্য পর্যালোচনা করেছে। ‘কসমস’ প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, যারা মোবাইল ফোনে বেশি সময় কথা বলে, তাদের ব্রেন টিউমার হওয়ার ঝুঁকি কম সময় ফোন ব্যবহারকারীদের চেয়ে বেশি নয়। এছাড়া কানাডার সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও বলা হয়েছে যে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সিগন্যাল স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয়।

তাই বলা যায়, বর্তমান প্রমাণ অনুযায়ী, ওয়াই-ফাই সিগন্যাল সাধারণত স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হয় না। তবে ভবিষ্যতে আরও গবেষণা করা প্রয়োজন এই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *