সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, আমাদের পার্টি অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার কথা ছিল। কিন্তু সরকার সেখানে করতে দেয়নি। দেশের মানুষের পক্ষে কথা বললে কিংবা ভিন্নমত পোষণ করলেই সরকার দমন-পীড়ন চালায়। এরা স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়েও সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে, পত্রিকাগুলো বন্ধ করে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেই মূলত এ সরকার ক্ষমতায় টিকে আছে।
আজ শনিবার জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত এক ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল বলেন, সরকার নির্বাচন এগিয়ে নিয়ে এসে নির্বাচন করতে চায়। আমরা পরিষ্কার বলেছি, এ দেশের মানুষ অবশ্যই নির্বাচন চায়। কিন্তু আওয়ামী লীগের অধীনে নয়। তারা নির্বাচন চায় নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। যেন নির্বাচনে তারা ভোট দিতে পারে। পছন্দের প্রার্থীকে বাছাই করতে পারে।
এই সরকারের হাত থেকে কেউ ছাড় পাচ্ছে না উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, তাই আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে হবে। জনগণকে ভোটের অধিকার ফিরে আনতে হবে।
জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে সমমনা জোটের নেতারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, যুব জাগপার সভাপতি মীর আমির হোসেন আমু প্রমুখ।