ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতি করে পুলিশ। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না এবং বিষয়টির ওপর অনেক রিপোর্ট ছাপা হয়েছে।
সোমবার (২০ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশের মানবাধিকার চর্চা বিষয়ক এক রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপোর্ট অন হিউম্যান রাইটস প্র্যাকটিস এ বলা হয়েছে, মানবাধিকার লংঘন ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা অথবা নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত, বিচার এবং দুর্নীতিগ্রস্তদের শাস্তি দেওয়ার জন্য সরকার অল্প পদক্ষেপ নিয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে রয়েছে পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সন্ত্রাসবাদ দমন বাহিনী। যেমন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান এবং তাদের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ এবং সীমান্ত বজায় রাখা হয়।
নিরাপত্তা সামরিক বাহিনী
বাংলাদেশে সামরিক বাহিনীরও আভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে কিছু দায়িত্ব রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবং সামরিক বাহিনী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে দায়বদ্ধ।
বেসামরিক কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। নিরাপত্তা বাহিনী ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এমন অনেকগুলো রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদীয় কাঠামোতে সরকার গঠন করা হয়ে থাকে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কাছে বেশিরভাগ ক্ষমতা রয়েছে।
২০১৮ এর ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ তৃতীয়বারের মতো পাঁচ বছর মেয়াদী সরকার গঠন করে। নির্বাচনটি সুষ্ঠ ও অবাধ হয়েছে এমনটি বিবেচনায় নেয়নি নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। কারণ নির্বাচনে ব্যালট বাক্সে আগে ভোট ভরে ফেলা এবং বিরোধী দলের পোলিং এজেন্ট ও ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।
উতসঃ বাংলা ট্রিবিউন