বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও সদস্য সচিব সাংবাদিক কাদের গনি চৌধুরী শুক্রবার এক বিবৃতিতে সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিক ও আইনজীবীদের ওপর পুলিশি হামলা এবং আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ভিন্নমতের ‘আইনজীবী ভোটারদের’ তাড়িয়ে দিয়ে একপক্ষীয় তামাশার নির্বাচনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
পেশাজীবী নেতার বলেন, মানুষের শেষ ভরসাস্থল হচ্ছে আদালত। ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য সবাই উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়। সে উচ্চ আদালত প্রাঙ্গণে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত অনভিপ্রেত, দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। বিচারালয়ে আইনজীবী ও সাংবাদিকদের উপর পুলিশের এমন ন্যক্কারজনক হামলা সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না। এ ধরনের ঘটনা নাগরিকদের অসহায় করে তোলে। নিপীড়িত মানুষের আশ্রয় নেয়ার আর কোনো ভরসাস্থল থাকল না। এভাবে লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত আমাদের প্রিয় দেশটিকে মনুষ্য বসবাসের অযোগ্য করে ফেলা হচ্ছে।
পেশাজীবীদের শীর্ষ দুই নেতা বলেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভিন্নমতের আইনজীবীদের উপর হামলা ও ভোট প্রদানে বাধা প্রদান রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ বলে আমরা মনে করি।
২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে দেশের জনগণকে ভোট দিতে দেয়া হয়নি। তারই ধারাবাহিকতায় এখন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনেও ভোটারদের ভোট দিতে দেয়া হলো না। এর ফলে ‘ভোটাধিকারহীন’ এক ‘আজব গণতন্ত্র’ এ দেশের মানুষ উপভোগ করছে।
বিএসপিপি নেতারা পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিক ও আইনজীবীদের উপর এ ধরনের হামলার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচার এবং নতুন করে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের দাবি জানান।
এ ব্যাপারে সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি